শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের অর্ধেকই পলাতক। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার পর ১১ বছরে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে ৯১ আসামির। এর মধ্যে ৪৪ জনই পলাতক।
কৌসুলিরা বলছেন, পলাতকদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। যদিও এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে ডিএমপি।
একাত্তরে বুদ্ধিজীবী হত্যার দুই হোতা আলবদর নেতা আশরাফুজ্জামান এবং চৌধুরী মুঈনুদ্দীন। ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়। এ দুই যুদ্ধাপরাধী যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে থাকলেও তাদের ফিরিয়ে আনা যায়নি। এছাড়া পলাতক থাকায় কার্যকর হয়নি ফরিদপুরের জামায়াত নেতা আবুল কালাম আজাদের সাজাও।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, দেশের বাইরে পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত ৫১ মামলার রায়ে দণ্ডিত ১৩১ জন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৯১ জনের মধ্যে রায় কার্যকর হয়েছে ৬ আসামির। আপিল নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ৪১ আসামি। পলাতক ৪৪ জন।
আর আমৃত্যু কারাদণ্ড ও যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ৩৪ আসামির মধ্যে ১৪ জনই পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খরা বাহিনীর গাফিলতি দেখছেন কৌসুলিরা।
তবে সময় লাগলেও দেশের ভেতরে পলাতকরা ধরা পড়বেই- বলছেন ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধে আপিল বিভাগে ৩৭টি মামলা বিচারাধীন। আর ট্রাইব্যুনালে থাকা ৩৫ মামলায় আসামি ২১৪ জন।